BIJF | আমেরিকার ভিসা জটিলতায় নাসায় যাত্রা অনিশ্চিত
2377
post-template-default,single,single-post,postid-2377,single-format-standard,ajax_fade,page_not_loaded,,burst-ver-1.8.1, vertical_menu_with_scroll,smooth_scroll,blog_installed
 

আমেরিকার ভিসা জটিলতায় নাসায় যাত্রা অনিশ্চিত

 

আমেরিকার ভিসা জটিলতায় নাসায় যাত্রা অনিশ্চিত

আমেরিকার ভিসা না পাওয়ায় নাসায় যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে নাসা ‘স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৮’ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়ন দল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম অলিকের।

শুক্রবার (১২ জুলাই) টিম অলিক-এর পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়। উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছিল টিম অলিক।

টিম অলিক সূত্রে জানা যায়, ২১ থেকে ২৩ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নাসা কেনেডি স্পেস সেন্টারে তাদের ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বিমানের টিকিট এবং হোটেল বুকিং দেওয়া হয়েছে।

দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নাসা থেকে টিম অলিককে আমন্ত্রণপত্র দেওয়া হয় চলতি বছরের ২১ জুন। ভিসার জন্য আবেদন করা হয় ১ জুলাই। ১১ জুলাই ভিসার জন্য ইন্টারভিউ দেওয়া হলেও ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করে দেয় মার্কিন দূতাবাস থেকে। কারণ হিসেবে আইএন-এর ২২৪(বি) ধারায় ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে জানায় দূতাবাস।

মার্কিন দূতাবাস জানায়, টিম অলিকের ৫ জনের সঙ্গে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ ছয় কর্মকর্তা, বেসিসের ৫ জনসহ মোট ১৬ সদস্যের একইসঙ্গে নাসায় যাওয়ার আমন্ত্রণপত্র থাকা সত্ত্বেও টিম অলিক এর সদস্য, মেন্টর, বেসিসের সদস্যসহ মোট ৮ জনের ভিসা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ এর স্থানীয় আয়োজক বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) আইসিটি ডিভিশন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইউএস অ্যাম্বাসেডর-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিম অলিক-এর মেন্টর শাবির সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ ২০১৮ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়াটা অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য গর্বের; কিন্তু নাসা থেকে আমন্ত্রণ পাওয়া সত্ত্বেও ভিসা সংক্রান্ত জটিলতায় আমাদের সেখানে যাওয়া এখন প্রায় অনিশ্চিত। এমন একটি প্রতিযোগিতায় আমাদের দেশ থেকে একটি দল প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরেও অংশগ্রহণ করতে না পারলে ভবিষ্যতে দেশের তরুণ প্রতিযোগীরা উত্সাহ হারিয়ে ফেলবে। এসব ক্ষেত্রে সরকার এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের উচিত মেধাবীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সর্বাত্মক সহায়তা করা।’ তিনি আরো বলেন, ‘তবে এখন পর্যন্ত ভিসা পাবার জন্য চেষ্টা করছেন দলটির সদস্যরা। এর আগে এই বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি দল এসিএম-আইসিপিসি প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেবার জন্য পর্তুগালের ভিসা চেয়ে প্রত্যাখ্যান হয়েছিল। পরে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং ব্যক্তির চেষ্টায় দলটি ভিসা পেয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়।’

এদিকে, আইসিটি মন্ত্রণালয় ও বেসিস-এর সমন্বয়ে ১৬ জনের একটি বিশাল বহরের কারণেই নাসা স্পেস অ্যাপ চ্যালেঞ্জের প্রতিযোগীরাই ভিসা পায়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই। প্রতিযোগী ৫ জন ছাড়াও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি সালমা সিদ্দিকা মাহাতাব, মো. আবুল খায়ের, হাইটেক পার্কের ডেপুটি সেক্রেটারি মো. আবদুল হাই, আইডিয়া প্রোজেক্ট-এর কাজী হোসনা আরা ও আইসিটি ডিভিশনের প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা একরামুল হকসহ বেসিস-এর দিদারুল আলম, আরিফুল হাসান, মো. ওয়াসেক সাজ্জাদ, হাসিম আহম্মেদ ও মো. মনিরুল হক নাসাতে প্রতিযোগিতা করতে যাওয়া টিম অলিকের সঙ্গে আইসিটি মন্ত্রণালয়ের খরচে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করার কথা ছিল।

[/vc_column_text][/vc_column][/vc_row]

bijf
No Comments

Leave a Comment